1. writebdnews@gmail.com : specialist : specialist
  2. towhidulbh@gmail.com : hum ayon : hum ayon
এইচ টি ইমাম ইন্তেকাল করেছেন - দৈনিক দিগান্ত
April 22, 2021, 2:42 am

এইচ টি ইমাম ইন্তেকাল করেছেন

  • Update Time : Wednesday, March 3, 2021
  • 39 Time View

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক (এইচ টি) ইমাম ইন্তেকাল করেছেন। বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১ টা ১৫মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি…..রাজেউন)। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া রাত ১টা ২০ মিনিটে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত বেদনার সাথে জানাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জনাব এইচ টি ইমাম রাত ১.১৫ টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। জানাজা এবং দাফনের বিষয়টি পরে অবহিত করা হবে।’

do read one more article if you have enough time

হযরত উসমানের (রা.) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল টাকা!অন্যান্য সময় ডেস্ক

করোনায় কাবু বিশ্ববাসী, মৃত্যু ছাড়াল ২৫ লাখ ৬০ হাজারজার্মানিতে লকডাউন বাড়ল ২৮ মার্চ পর্যন্তখোলা স্থানে মলত্যাগ করবে না ফরিদপুরের যে ইউনিয়নবাসী

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জামাতা ও ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান ইবনে আফফান (রা.) ছিলেন একজন ধনী ও দানশীল ব্যক্তি। জীবিত অবস্থায় তিনি মানবকল্যাণে নিজের সম্পদ দান ও ওয়াকফ করেন। তার দান করে যাওয়া সেসব ওয়াকফ সম্পদ দ্বারা এখনো উপকৃত হচ্ছে বহু মানুষ।

রাসূলুল্লাহ (সা.) সময়ে মুসলিমরা মদিনায় হিজরত করার পর সেখানে খাবার পানির সংকটে পড়ে। মদিনায় এক ইহুদির একটি কূপ ছিল। সে মুসলিমদের কাছে চড়া মূল্যে পানি বিক্রি করত। কূপটির নাম ছিল রুমা। মহানবী (সা.) বিষয়টি জানতে পেরে ঘোষণা দিলেন, ‘তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে যে এই কূপটি কিনে মুসলিমদের জন্য ওয়াকফ করে দেবে? এটা যে করবে আল্লাহ তাকে জান্নাতে একটি ঝরনা দান করবেন।

নবীজির এমন ঘোষণা শুনে উসমান (রা.) ইহুদির কাছে কূপ বিক্রির প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু বিক্রিতে অস্বীকৃতি জানাল ইহুদি। অতঃপর উসমান (রা.) অর্ধেক কূপ বিক্রির প্রস্তাব করলেন; এভাবে যে কূপ থেকে একদিন ইহুদি পানি নেবে অন্যদিন তিনি। ইহুদি এতে সম্মত হলো। উসমান (রা.) কূপ কেনার পর বিনা মূল্যে পানি বিতরণ শুরু করেন, এতে ইহুদির পানির ব্যবসা বন্ধ হলো এবং তিনি পুরো কূপ বিক্রি করে দিলেন। ৩৫ হাজার দিরহামের বিনিময়ে উসমান (রা.) পুরো কূপের মালিকানা লাভ করেন এবং তা থেকে মুসলমানরা বিনা মূল্যেই পানি নিত। পরে সর্বসাধারণের পানি পানের জন্য ওয়াকফ করে দেন তিনি।

জানা গেছে, আশপাশের জায়গাও কূপের অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিছুকাল পরে সেখানে বেশ কিছু খেজুরগাছ বড় হয়ে উঠল। পরে একসময় এসব গাছ থেকে বিপুল পরিমাণ খেজুর উৎপন্ন হয়। উসমানি সুলতান ও সৌদি শাসকদের পরিচর্যায় এখন এখানে প্রায় ১৬শ’র মতো খেজুরগাছ আছে। সৌদি আরব প্রতিষ্ঠার পর কূপ ও এ বাগান কৃষি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি বছর বাগান থেকে খেজুর বিক্রি করে যে অর্থ উপার্জিত হয়, তার অর্ধেক এতিম-গরিবদের দান করা হয় এবং অর্ধেক উসমান (রা.)-এর নামে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হতে থাকে। অ্যাকাউন্টটি পরিচালনা করে দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয়।

এভাবে ব্যাংকে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হয় যে তা দিয়ে মসজিদ-ই-নববী (সা.)-এর পাশেই আকর্ষণীয় একটি জায়গা কিনে সেখানে একটি পাঁচতারকা হোটেল নির্মাণ করা হয়, যার নেমপ্লেটে লেখা আছে, মালিক সাইয়্যিদুনা উসমান (রা.)। যেহেতু তার ওয়াকফ সম্পত্তি থেকে অর্জিত অর্থে এটি নির্মিত, তাই মালিক হিসেবে তার নামই উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৪-১৫ সালে হোটেলটির নির্মাণকাজ সমাপ্ত হয়েছে। হোটেলের আয়ও উসমান (রা.)-এর অন্য সম্পদের মতো একভাগ এতিম-মিসকিনদের দান করা হয় এবং আরেক ভাগ তার নামে চলিত অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category